মক্কা দর্শনীয় স্থান (Makkah Tourist Places)
পবিত্র স্থানসমূহের বিস্তারিত তথ্য
মোট ৫০টি স্থান
কাবা শরীফ (Kaaba Sharif)الكعبة المشرفة(Al-Kaʿba al-Musharrafa)
কেন বিখ্যাত?
কাবা শরীফ হল ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থান এবং পৃথিবীর প্রথম ঘর যা আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্মিত হয়েছিল। এটি মুসলমানদের কিবলা (নামাজের দিক) এবং হজ্জ ও উমরাহর কেন্দ্রস্থল।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মসজিদুল হারাম (Masjid al-Haram)المسجد الحرام(Al-Masjid al-Ḥarām)
কেন বিখ্যাত?
মসজিদুল হারাম হল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মসজিদ এবং ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র মসজিদ। এটি কাবা শরীফকে ঘিরে অবস্থিত এবং এখানে নামাজ পড়ার ফজিলত অত্যন্ত বেশি।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
হাজরে আসওয়াদ (Hajar al-Aswad - Black Stone)الحجر الأسود(Al-Ḥajar al-Aswad)
কেন বিখ্যাত?
হাজরে আসওয়াদ হল কাবা শরীফের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত একটি পবিত্র কালো পাথর। এটি জান্নাত থেকে আগত বলে বিশ্বাস করা হয় এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) এটি চুম্বন করতেন।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মাকামে ইব্রাহিম (Maqam Ibrahim)مقام إبراهيم(Maqām Ibrāhīm)
কেন বিখ্যাত?
মাকামে ইব্রাহিম হল সেই স্থান যেখানে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) দাঁড়িয়ে কাবা শরীফ নির্মাণ করেছিলেন। এখানে তাঁর পায়ের ছাপ রয়েছে এবং তাওয়াফের পর এখানে দুই রাকাত নামাজ পড়া হয়।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
জমজম কূপ (Zamzam Well)بئر زمزم(Biʾr Zamzam)
কেন বিখ্যাত?
জমজম হল একটি পবিত্র কূপ যার পানি আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত। এটি হযরত ইসমাইল (আঃ) এর মা হযরত হাজেরা (আঃ) এর দোয়ার ফলে সৃষ্টি হয়েছিল। এই পানি পান করার বিশেষ ফজিলত রয়েছে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
সাফা-মারওয়া (Safa and Marwa)الصفا والمروة(Aṣ-Ṣafā wa al-Marwa)
কেন বিখ্যাত?
সাফা ও মারওয়া হল দুটি পাহাড় যার মধ্যে সাঈ (দৌড়ানো) করা হয়। এটি হযরত হাজেরা (আঃ) এর পানির সন্ধানের স্মৃতিচিহ্ন এবং উমরাহ ও হজ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
গারে হিরা (Cave Hira)
কেন বিখ্যাত?
গারে হিরা হল সেই গুহা যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) ধ্যান করতেন এবং প্রথম ওহী নাজিল হয়েছিল। এটি ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
গারে সাওর (Cave Thawr)غار ثور(Ghār Thawr)
কেন বিখ্যাত?
গারে সাওর হল সেই গুহা যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) ও হযরত আবু বকর (রা.) হিজরতের সময় তিন দিন লুকিয়ে ছিলেন। এটি ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মিনা (Mina)منى(Minā)
কেন বিখ্যাত?
মিনা হল হজ্জের সময় অবস্থান করার স্থান এবং রমি (পাথর নিক্ষেপ) করার স্থান। এটি হজ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আরাফাত (Arafat)عرفة(ʿArafa)
কেন বিখ্যাত?
আরাফাত হল হজ্জের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ৯ই জিলহজ্জ আরাফাতে অবস্থান করা হজ্জের একটি রুকন (অবশ্যকীয় কাজ)।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মুযদালিফা (Muzdalifah)مزدلفة(Muzdalifa)
কেন বিখ্যাত?
মুযদালিফা হল হজ্জের সময় রাত যাপন করার স্থান এবং রমির জন্য পাথর সংগ্রহ করার স্থান। এটি আরাফাত ও মিনার মধ্যবর্তী স্থান।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আবরাজ আল বাইত (Abraj Al Bait - Clock Tower)أبراج البيت(Abraj al-Bayt)
কেন বিখ্যাত?
আবরাজ আল বাইত হল মক্কার সবচেয়ে উঁচু ভবন এবং পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ঘড়ি টাওয়ার। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত এবং এখানে হোটেল, শপিং মল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
জাবালে নূর (Jabal al-Nour - Mountain of Light)
কেন বিখ্যাত?
জাবালে নূর হল সেই পর্বত যেখানে গারে হিরা অবস্থিত। এই পর্বতে রাসূলুল্লাহ (সা.) ধ্যান করতেন এবং প্রথম ওহী নাজিল হয়েছিল।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
জামরাত (Jamarat - Stoning Pillars)الجمرات(Al-Jamarāt)
কেন বিখ্যাত?
জামরাত হল তিনটি স্তম্ভ যেখানে হজ্জের সময় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা হয়। এটি হজ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর সুন্নত।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মসজিদুল জিন (Masjid al-Jinn)مسجد الجن(Masjid al-Jinn)
কেন বিখ্যাত?
মসজিদুল জিন হল সেই স্থান যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর কাছে জিনদের একটি দল এসে ইসলাম গ্রহণ করেছিল। কুরআনে এই ঘটনার উল্লেখ রয়েছে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মসজিদুল খায়েফ (Masjid al-Khayf)مسجد الخيف(Masjid al-Khayf)
কেন বিখ্যাত?
মসজিদুল খায়েফ হল মিনায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই মসজিদে নামাজ পড়েছেন এবং অনেক সাহাবী এখানে নামাজ পড়েছেন।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আরাফাতের বিশেষ স্থানসমূহ (Special Places in Arafat)
কেন বিখ্যাত?
আরাফাতের ময়দানে কিছু বিশেষ স্থান রয়েছে যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) অবস্থান করেছিলেন এবং দোয়া করেছিলেন।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
জাবালে সাওর (Jabal Thawr - Thawr Mountain)جبل ثور(Jabal Thawr)
কেন বিখ্যাত?
জাবালে সাওর হল সেই পর্বত যেখানে গারে সাওর অবস্থিত। এই পর্বতে রাসূলুল্লাহ (সা.) ও হযরত আবু বকর (রা.) হিজরতের সময় তিন দিন লুকিয়ে ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মসজিদে তানীম (Masjid al-Taneem)
কেন বিখ্যাত?
মসজিদে তানীম হল মক্কার একটি মীকাত (ইহরামের স্থান)। যারা মক্কায় অবস্থান করছেন তারা এখানে থেকে উমরাহর জন্য ইহরাম করতে পারেন।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
হুদায়বিয়াহ (Al-Hudaybiyyah)الحديبية(Al-Ḥudaybiyya)
কেন বিখ্যাত?
হুদায়বিয়াহ হল সেই স্থান যেখানে হুদায়বিয়ার সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং এখানে সূরা আল-ফাতহ নাজিল হয়েছিল।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
তাইফ (Taif)
কেন বিখ্যাত?
তাইফ হল মক্কার নিকটবর্তী একটি পাহাড়ি শহর যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) দাওয়াত দেওয়ার জন্য গিয়েছিলেন। এটি একটি সুন্দর পাহাড়ি শহর এবং এখানে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
জাবালে রহমত (Jabal al-Rahmah - Mount of Mercy)جبل الرحمة(Jabal ar-Raḥma)
কেন বিখ্যাত?
জাবালে রহমত হল আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত একটি পাহাড় যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) বিদায়ী হজ্জে অবস্থান করেছিলেন এবং দোয়া করেছিলেন।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
কিং ফাহাদ গেট (King Fahd Gate)باب الملك فهد(Bāb al-Malik Fahd)
কেন বিখ্যাত?
কিং ফাহাদ গেট হল মসজিদুল হারামের প্রধান প্রবেশদ্বারগুলোর মধ্যে একটি। এটি একটি সুন্দর স্থাপত্য এবং মসজিদুল হারামের সম্প্রসারণের অংশ।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-সাফা গেট (Al-Safa Gate)باب الصفا(Bāb aṣ-Ṣafā)
কেন বিখ্যাত?
আল-সাফা গেট হল মসজিদুল হারামের একটি প্রবেশদ্বার যা সাফা পাহাড়ের কাছে অবস্থিত। এটি সাঈ (সাফা-মারওয়ার মধ্যে দৌড়ানো) করার জন্য সুবিধাজনক।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-মারওয়া গেট (Al-Marwah Gate)باب المروة(Bāb al-Marwa)
কেন বিখ্যাত?
আল-মারওয়া গেট হল মসজিদুল হারামের একটি প্রবেশদ্বার যা মারওয়া পাহাড়ের কাছে অবস্থিত। এটি সাঈ সম্পন্ন করার জন্য সুবিধাজনক।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মুজদালিফা মসজিদ (Muzdalifah Mosque)
কেন বিখ্যাত?
মুজদালিফা মসজিদ হল মুজদালিফায় অবস্থিত একটি মসজিদ যেখানে হজ্জকারীরা রাত যাপন করেন এবং মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে পড়েন।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মসজিদুল হারামের সম্প্রসারণ (Al-Masjid al-Haram Expansion)توسعة المسجد الحرام(Tawsiʿat al-Masjid al-Ḥarām)
কেন বিখ্যাত?
মসজিদুল হারামের সম্প্রসারণ হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ সম্প্রসারণ প্রকল্প। এটি লক্ষ লক্ষ হাজী ও উমরাহকারীদের জন্য স্থান প্রদান করে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-কিসওয়াহ কারখানা (Al-Kiswah Factory)مصنع الكسوة(Maṣnaʿ al-Kiswa)
কেন বিখ্যাত?
আল-কিসওয়াহ কারখানা হল সেই স্থান যেখানে কাবা শরীফের কিসওয়াহ (আবরণ) তৈরি করা হয়। এটি একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মক্কা ঘড়ি টাওয়ার মিউজিয়াম (Makkah Clock Tower Museum)متحف برج الساعة(Matḥaf Burj as-Sāʿa)
কেন বিখ্যাত?
মক্কা ঘড়ি টাওয়ার মিউজিয়াম হল আবরাজ আল বাইতের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি মিউজিয়াম যেখানে ইসলামের ইতিহাস, মক্কার ইতিহাস ও ঘড়ি টাওয়ারের ইতিহাস প্রদর্শিত হয়।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
জাবালে উমর (Jabal Omar)جبل عمر(Jabal ʿUmar)
কেন বিখ্যাত?
জাবালে উমর হল মক্কার একটি পাহাড়ি এলাকা যেখানে অনেক হোটেল ও আবাসন রয়েছে। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত এবং হজ্জ ও উমরাহকারীদের জন্য সুবিধাজনক।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-শারাঈ জেলা (Al-Shara'i District)حي الشرائع(Ḥayy ash-Sharāʾiʿ)
কেন বিখ্যাত?
আল-শারাঈ জেলা হল মক্কার একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা যেখানে অনেক দোকান, বাজার ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-আজিজিয়াহ (Al-Aziziyah)العزيزية(Al-ʿAzīziyya)
কেন বিখ্যাত?
আল-আজিজিয়াহ হল মক্কার একটি আধুনিক এলাকা যেখানে অনেক হোটেল, শপিং মল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এটি হজ্জ ও উমরাহকারীদের জন্য খুবই সুবিধাজনক।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-হারামাইন ট্রেন স্টেশন (Al-Haramain Train Station)محطة قطار الحرمين(Maḥaṭṭat Qiṭār al-Ḥaramayn)
কেন বিখ্যাত?
আল-হারামাইন ট্রেন স্টেশন হল মক্কা ও মদিনার মধ্যে চলাচলকারী উচ্চগতির ট্রেনের স্টেশন। এটি হজ্জ ও উমরাহকারীদের জন্য খুবই সুবিধাজনক।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-হিজর (হিজরে ইসমাইল) (Al-Hijr - Hijr Ismail)الحجر(Al-Ḥijr)
কেন বিখ্যাত?
আল-হিজর বা হিজরে ইসমাইল হল কাবা শরীফের উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত একটি অর্ধবৃত্তাকার স্থান। এটি হযরত ইসমাইল (আঃ) ও হযরত হাজেরা (আঃ) এর কবরস্থান বলে বিশ্বাস করা হয়।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মুলতাজাম (Multazam)الملتزم(Al-Multazam)
কেন বিখ্যাত?
মুলতাজাম হল কাবা শরীফের হাজরে আসওয়াদ ও দরজার মধ্যবর্তী স্থান। এখানে দোয়া করার বিশেষ ফজিলত রয়েছে এবং দোয়া কবুল হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
রুকনে ইয়ামানি (Rukn al-Yamani)الركن اليماني(Ar-Rukn al-Yamānī)
কেন বিখ্যাত?
রুকনে ইয়ামানি হল কাবা শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ। এটি হাজরে আসওয়াদের বিপরীত দিকে অবস্থিত এবং তাওয়াফের সময় এখানে স্পর্শ করা সুন্নত।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
হাতীম (Hateem)الحطيم(Al-Ḥaṭīm)
কেন বিখ্যাত?
হাতীম হল কাবা শরীফের উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত একটি অর্ধবৃত্তাকার স্থান যা হিজরে ইসমাইলের অংশ। এখানে দোয়া করার বিশেষ ফজিলত রয়েছে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
কিসওয়াহ মিউজিয়াম (Kiswah Museum)
কেন বিখ্যাত?
কিসওয়াহ মিউজিয়াম হল সেই স্থান যেখানে কাবা শরীফের পুরাতন কিসওয়াহ (আবরণ) সংরক্ষিত রয়েছে। এটি ইসলামিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহ।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মক্কা মিউজিয়াম (Makkah Museum)متحف مكة(Matḥaf Makka)
কেন বিখ্যাত?
মক্কা মিউজিয়াম হল মক্কার একটি জাদুঘর যেখানে ইসলামের ইতিহাস, মক্কার ইতিহাস, কাবা শরীফের ইতিহাস ও হজ্জ ও উমরাহর ইতিহাস সম্পর্কিত বিভিন্ন নিদর্শন রয়েছে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-মা'আবদা (Al-Ma'abda)المعابد(Al-Maʿābid)
কেন বিখ্যাত?
আল-মা'আবদা হল মক্কার একটি এলাকা যেখানে অনেক হোটেল ও আবাসন রয়েছে। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত এবং হজ্জ ও উমরাহকারীদের জন্য সুবিধাজনক।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-মিসফালাহ (Al-Misfalah)المسفلة(Al-Misfala)
কেন বিখ্যাত?
আল-মিসফালাহ হল মক্কার একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা যেখানে অনেক দোকান, বাজার ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-শামিসি (Al-Shamisi)الشامسي(Ash-Shāmisi)
কেন বিখ্যাত?
আল-শামিসি হল মক্কার একটি এলাকা যেখানে অনেক হোটেল ও আবাসন রয়েছে। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত এবং হজ্জ ও উমরাহকারীদের জন্য সুবিধাজনক।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-মিসফালাহ টাওয়ার (Al-Misfalah Tower)برج المسفلة(Burj al-Misfala)
কেন বিখ্যাত?
আল-মিসফালাহ টাওয়ার হল মক্কার একটি উঁচু ভবন যেখানে হোটেল ও আবাসন রয়েছে। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত এবং হজ্জ ও উমরাহকারীদের জন্য সুবিধাজনক।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-শুবাইকাহ (Al-Shubaikah)الشبيكة(Ash-Shubayka)
কেন বিখ্যাত?
আল-শুবাইকাহ হল মক্কার একটি এলাকা যেখানে অনেক দোকান, বাজার ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-মা'আবদা কূপ (Al-Ma'abda Well)بئر المعابد(Biʾr al-Maʿābid)
কেন বিখ্যাত?
আল-মা'আবদা কূপ হল মক্কার একটি ঐতিহাসিক কূপ যা ইসলামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। এটি মক্কার একটি পুরাতন কূপ।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-আকাবা মসজিদ (Al-Aqaba Mosque)مسجد العقبة(Masjid al-ʿAqaba)
কেন বিখ্যাত?
আল-আকাবা মসজিদ হল মক্কার একটি ঐতিহাসিক মসজিদ যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সাথে আনসারদের প্রথম বাইয়াত (শপথ) হয়েছিল।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-কা'কিয়্যাহ (Al-Ka'kiyyah)الكعكية(Al-Kaʿkiyya)
কেন বিখ্যাত?
আল-কা'কিয়্যাহ হল মক্কার একটি এলাকা যেখানে অনেক দোকান, বাজার ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এটি মসজিদুল হারামের কাছে অবস্থিত।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মসজিদুল হারামের বিভিন্ন গেট (Al-Masjid al-Haram Gates)أبواب المسجد الحرام(Abwāb al-Masjid al-Ḥarām)
কেন বিখ্যাত?
মসজিদুল হারামে ২১০টি গেট রয়েছে যার মধ্যে অনেক গেটের বিশেষ নাম ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। প্রতিটি গেটের নিজস্ব গুরুত্ব ও সুবিধা রয়েছে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
আল-হারামাইন উচ্চগতির রেলপথ (Al-Haramain High-Speed Railway)قطار الحرمين السريع(Qiṭār al-Ḥaramayn as-Sarīʿ)
কেন বিখ্যাত?
আল-হারামাইন উচ্চগতির রেলপথ হল মক্কা ও মদিনার মধ্যে চলাচলকারী উচ্চগতির ট্রেন যা হজ্জ ও উমরাহকারীদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। এটি সৌদি আরবের সবচেয়ে আধুনিক রেলপথ।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।
মক্কা গ্র্যান্ড মসজিদ সম্প্রসারণ প্রকল্প (Makkah Grand Mosque Expansion Project)مشروع توسعة المسجد الحرام(Mashrūʿ Tawsiʿat al-Masjid al-Ḥarām)
কেন বিখ্যাত?
মক্কা গ্র্যান্ড মসজিদ সম্প্রসারণ প্রকল্প হল মসজিদুল হারামের সর্বশেষ ও সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ প্রকল্প যা লক্ষ লক্ষ হাজী ও উমরাহকারীদের জন্য স্থান প্রদান করে।
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
এই স্থানটির একটি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এটি ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে বিদ্যমান এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফাদের সময় পর্যন্ত এই স্থানটির গুরুত্ব বজায় ছিল। বর্তমানে এটি একটি পবিত্র স্থান হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং হজ্জ ও উমরাহকারীরা এখানে জিয়ারত করতে আসেন।