🕋 উমরাহ ও হজ্জ (العمرة والحج)

Umrah & Hajj Guide

  • হোম (الرئيسية)
    • গাইড (الدليل)
    • উমরাহ (العمرة)
    • হজ্জ (الحج)
    • সূরা (السور)
    • উমরাহ ও হজ্জ দোয়া (دعاء العمرة والحج)
    • উমরাহ দোয়া (دعاء العمرة)
    • দৈনন্দিন মাসনূন দোয়া (الأدعية اليومية)
    • আমার দোয়া (دعائي)
    • মোনাজাত (المناجاة)
    • মক্কা (مكة)
    • মদিনা (المدينة)
    • মক্কা দর্শনীয় স্থান (أماكن مكة)
    • মদিনা দর্শনীয় স্থান (أماكن المدينة)
    • Arabic Learning (تعلم العربية)
    • কুরআন (القرآن)
    • সহীহ বুখারী (صحيح البخاري)
    • মুসলিম শরীফ (صحيح مسلم)
    • নবী-রাসূলদের নামসমূহ (أسماء الأنبياء والرسل)
    • আখলাক ও আদব (الأخلاق والأدب)
    • ইবাদত (العبادات)

মক্কার ইতিহাস (History of Makkah)

পবিত্র কাবা শরীফের শহর

মোট 5টি বিভাগ

কাবা শরীফ
1

মক্কার পরিচিতি

▼

মক্কা (আরবি: مكة المكرمة) হল ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র শহর এবং সৌদি আরবের হেজাজ অঞ্চলের একটি শহর। এটি কাবা শরীফের অবস্থান এবং হজ্জ ও উমরাহ পালনের কেন্দ্রস্থল।

2

কাবা শরীফের ইতিহাস (Kaaba)

▼

কাবা শরীফের প্রথম নির্মাণ

কুরআন ও হাদীস অনুসারে, কাবা শরীফ হল পৃথিবীর প্রথম ঘর যা আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্মিত হয়েছিল। আল্লাহ তা'আলা কুরআনে বলেন: "নিশ্চয়ই মানবজাতির জন্য সর্বপ্রথম যে ঘর নির্মিত হয়েছিল, তা হল বাক্কা (মক্কা) শহরে, যা বরকতময় এবং সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য হিদায়াত।" (সূরা আল-ইমরান, আয়াত ৯৬)

হযরত আদম (আঃ) এর সময়

কিছু বর্ণনা অনুসারে, হযরত আদম (আঃ) সর্বপ্রথম কাবা শরীফ নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে মহাপ্লাবনের সময় এটি ধ্বংস হয়ে যায়।

হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও ইসমাইল (আঃ) এর নির্মাণ

আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ) কাবা শরীফ পুনর্নির্মাণ করেন। কুরআনে বর্ণিত আছে: "আর স্মরণ করুন, যখন ইব্রাহিম ও ইসমাইল কাবা ঘরের ভিত্তি স্থাপন করছিল, তখন তারা দু'জনে দোয়া করেছিল: 'হে আমাদের রব! আমাদের কাছ থেকে কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।'" (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১২৭)

হযরত ইব্রাহিম (আঃ) কাবা শরীফ নির্মাণের সময় একটি বিশেষ পাথর (হাজরে আসওয়াদ) স্থাপন করেন, যা জান্নাত থেকে আগত বলে বিশ্বাস করা হয়।

কাবা শরীফের স্থাপত্য

কাবা শরীফ একটি ঘনক আকৃতির (cubical) ভবন, যার প্রতিটি বাহু প্রায় ১২ মিটার (৪০ ফুট) দীর্ঘ। এটি প্রায় ১৫ মিটার (৫০ ফুট) উঁচু। কাবা শরীফের চারটি কোণ রয়েছে:

  • হাজরে আসওয়াদ কোণ: দক্ষিণ-পূর্ব কোণ, যেখানে হাজরে আসওয়াদ অবস্থিত
  • ইরাকি কোণ: উত্তর-পূর্ব কোণ
  • শামি কোণ: উত্তর-পশ্চিম কোণ
  • ইয়ামানি কোণ: দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ

হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর)

হাজরে আসওয়াদ হল কাবা শরীফের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত একটি পবিত্র কালো পাথর। এটি একটি উল্কাপিণ্ড বা জান্নাত থেকে আগত পাথর বলে বিশ্বাস করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) হাজরে আসওয়াদকে চুম্বন করতেন এবং তাওয়াফের সময় এটি স্পর্শ করতেন।

হাজরে আসওয়াদ বর্তমানে একটি রৌপ্য ফ্রেমে আবদ্ধ রয়েছে। এটি মূলত একটি বড় পাথর ছিল, কিন্তু বিভিন্ন সময়ে আক্রমণ ও ক্ষতির কারণে এটি এখন কয়েকটি টুকরোতে বিভক্ত।

কাবা শরীফের দরজা

কাবা শরীফের একটি দরজা রয়েছে যা পূর্ব দিকে অবস্থিত। এটি মাটি থেকে প্রায় ২ মিটার (৭ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত। দরজাটি সোনা দিয়ে তৈরি এবং এতে কুরআনের আয়াত খোদাই করা রয়েছে।

কিসওয়া (কাবা শরীফের আবরণ)

কাবা শরীফ একটি বিশেষ কাপড় দিয়ে আবৃত থাকে, যাকে "কিসওয়া" বলা হয়। এটি প্রতি বছর হজ্জের সময় পরিবর্তন করা হয়। কিসওয়া কালো রঙের হয় এবং এতে সোনার সুতো দিয়ে কুরআনের আয়াত বোনা থাকে। এটি মিশর বা সৌদি আরবে তৈরি হয়।

মাকামে ইব্রাহিম

মাকামে ইব্রাহিম হল একটি পাথর যার উপর দাঁড়িয়ে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) কাবা শরীফ নির্মাণ করেছিলেন। এই পাথরে তাঁর পায়ের ছাপ রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি কাবা শরীফের পূর্ব দিকে একটি সোনার কক্ষে সংরক্ষিত রয়েছে।

হাতিম (হিজর ইসমাইল)

হাতিম হল কাবা শরীফের উত্তর-পশ্চিম দিকে একটি অর্ধবৃত্তাকার স্থান। এটি মূলত কাবা শরীফের অংশ ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে এটি ধ্বংস হয়ে যায়। তাওয়াফের সময় এই স্থানটিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

জাহিলিয়্যাত যুগ (ইসলামের আগে)

ইসলামের আগে, কাবা শরীফের চারপাশে ৩৬০টি মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। বিভিন্ন গোত্র তাদের দেব-দেবীর মূর্তি এখানে রাখত। রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কা বিজয়ের পর এই সমস্ত মূর্তি ধ্বংস করেন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময়

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জন্মের আগে (৫৭০ খ্রিস্টাব্দ), আবরাহা নামক একজন ইথিওপিয়ান শাসক হাতি নিয়ে কাবা শরীফ আক্রমণ করার চেষ্টা করেছিলেন। আল্লাহ তা'আলা পাখিদের দল পাঠিয়ে তাদের ধ্বংস করেন। এই ঘটনা "আমুল ফিল" (হাতির বছর) নামে পরিচিত।

৬৩০ খ্রিস্টাব্দে রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কা বিজয় করেন এবং কাবা শরীফ থেকে সমস্ত মূর্তি অপসারণ করেন। তিনি কাবা শরীফের চাবি হযরত উসমান ইবনে তালহা (রা.) এর কাছে ফিরিয়ে দেন, যার বংশধররা এখনও কাবা শরীফের চাবি রাখেন।

খলিফাদের সময়

হযরত উমর (রা.) এর সময়: প্রথম খলিফা হযরত উমর (রা.) কাবা শরীফের চারপাশে একটি দেওয়াল নির্মাণ করেন যাতে মুসল্লিরা আরও ভালোভাবে তাওয়াফ করতে পারেন।

হযরত উসমান (রা.) এর সময়: তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.) কাবা শরীফের চারপাশে আরও সম্প্রসারণ করেন।

উমাইয়া ও আব্বাসীয় যুগ

ইবনে যুবায়ের (৬৮৩ খ্রিস্টাব্দ): আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের কাবা শরীফ পুনর্নির্মাণ করেন এবং হাতিমকে আবার কাবা শরীফের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেন।

হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ (৬৯২ খ্রিস্টাব্দ): উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের নির্দেশে হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ কাবা শরীফকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনেন।

মামলুক ও উসমানীয় যুগ

মামলুক সুলতানরা: মামলুক সুলতানরা কাবা শরীফের বিভিন্ন অংশ সংস্কার করেন এবং মসজিদুল হারাম সম্প্রসারণ করেন।

উসমানীয় সুলতানরা: উসমানীয় সুলতানরা, বিশেষ করে সুলতান সুলাইমান (১৫২০-১৫৬৬), কাবা শরীফের দরজা সোনা দিয়ে তৈরি করেন এবং মসজিদুল হারাম সম্প্রসারণ করেন।

সৌদি আরবের সময় (১৯২৫-বর্তমান)

রাজা আবদুল আজিজ (১৯২৫-১৯৫৩): সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা রাজা আবদুল আজিজ মসজিদুল হারামের প্রথম বড় সম্প্রসারণ শুরু করেন।

রাজা ফয়সাল (১৯৬৪-১৯৭৫): রাজা ফয়সালের সময় মসজিদুল হারাম আরও সম্প্রসারণ করা হয়।

রাজা খালিদ (১৯৭৫-১৯৮২): রাজা খালিদের সময় মসজিদুল হারামের দক্ষিণ দিক সম্প্রসারণ করা হয়।

রাজা ফাহাদ (১৯৮২-২০০৫): রাজা ফাহাদের সময় মসজিদুল হারামের সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ করা হয়। নতুন অংশে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যোগ করা হয়।

রাজা আবদুল্লাহ (২০০৫-২০১৫): রাজা আবদুল্লাহর সময় "কিং আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ প্রকল্প" এর মাধ্যমে মসজিদুল হারাম আরও সম্প্রসারণ করা হয়।

রাজা সালমান (২০১৫-বর্তমান): রাজা সালমানের সময় "মাশায়ার মুকাররামাহ" প্রকল্পের মাধ্যমে মসজিদুল হারামের আরও ব্যাপক সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

কাবা শরীফের বার্ষিক পরিষ্কার

প্রতি বছর হজ্জের পর, কাবা শরীফের অভ্যন্তরে পরিষ্কার করা হয়। এই অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের রাজা বা তার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। কাবা শরীফের অভ্যন্তরে গিলাফ (আবরণ) পরিবর্তন করা হয় এবং বিশেষ দোয়া করা হয়।

কাবা শরীফের গুরুত্ব

কাবা শরীফ হল মুসলমানদের কিবলা (প্রার্থনার দিক)। সারা বিশ্বের মুসলমানরা নামাজের সময় কাবা শরীফের দিকে মুখ করে দাঁড়ান। এটি হজ্জ ও উমরাহর কেন্দ্রস্থল।

কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেন: "আর আল্লাহর জন্য মানুষের উপর হজ্জ করা ফরজ, যারা সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।" (সূরা আল-ইমরান, আয়াত ৯৭)

হাদীসে বর্ণিত আছে যে, কাবা শরীফ হল পৃথিবীর কেন্দ্র এবং এটি আল্লাহর আরশের নিচে অবস্থিত।

মসজিদুল হারামে নামাজের ফজিলত

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "মসজিদুল হারামে একবার নামাজ পড়লে এক লক্ষ (১,০০,০০০) বার নামাজের সওয়াব পাওয়া যায়।"

অর্থাৎ, মসজিদুল হারামে (মক্কায়) একবার ফরজ নামাজ পড়লে, অন্য সাধারণ মসজিদে এক লক্ষ বার নামাজ পড়ার সমান সওয়াব পাওয়া যায়।

তিনটি পবিত্র মসজিদে নামাজের সওয়াব

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তিনটি মসজিদ ছাড়া অন্য কোনো স্থানে (নামাজের জন্য) বিশেষভাবে সফর করা যায় না: মসজিদুল হারাম (মক্কা), আমার এই মসজিদ (মসজিদে নববী, মদিনা), এবং মসজিদুল আকসা (জেরুজালেম)।"

  • মসজিদুল হারাম (মক্কা): একবার নামাজ = ১,০০,০০০ বার নামাজের সওয়াব
  • মসজিদে নববী (মদিনা): একবার নামাজ = ১,০০০ বার নামাজের সওয়াব
  • মসজিদুল আকসা (জেরুজালেম): একবার নামাজ = ৫০০ বার নামাজের সওয়াব

মনে রাখবেন: এই সওয়াব শুধুমাত্র ফরজ নামাজের জন্য নয়, সুন্নত, নফল, তাহাজ্জুদসহ সব ধরনের নামাজের জন্য প্রযোজ্য। তবে ফরজ নামাজের সওয়াব সবচেয়ে বেশি।

তাওয়াফ (কাবা শরীফ প্রদক্ষিণ)

তাওয়াফ হল কাবা শরীফের চারপাশে সাতবার প্রদক্ষিণ করা। এটি হজ্জ ও উমরাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাওয়াফ শুরু হয় হাজরে আসওয়াদ থেকে এবং ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (বাম দিকে) করা হয়।

বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে কাবা শরীফ মসজিদুল হারামের কেন্দ্রে অবস্থিত, যা বিশ্বের বৃহত্তম মসজিদ। মসজিদুল হারাম প্রায় ৪,০০,০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং একসাথে প্রায় ২০ লক্ষ মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন।

3

মক্কার ঐতিহাসিক ঘটনাবলী

▼

হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর সময়

হযরত ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহর নির্দেশে তাঁর স্ত্রী হাজেরা (আঃ) ও পুত্র ইসমাইল (আঃ) কে মক্কার মরুভূমিতে রেখে আসেন। এখানে জমজম কূপের আবিষ্কার হয় এবং পরবর্তীতে কাবা শরীফ নির্মিত হয়।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জন্ম

রাসূলুল্লাহ (সা.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থানটি এখনও মক্কায় সংরক্ষিত আছে।

হিজরত

৬২২ খ্রিস্টাব্দে রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন। এটি ইসলামি বর্ষপঞ্জির (হিজরি) সূচনা।

মক্কা বিজয়

৬৩০ খ্রিস্টাব্দে রাসূলুল্লাহ (সা.) মক্কা বিজয় করেন। এই বিজয়ের পর মক্কা ইসলামের পবিত্র শহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

4

মক্কার পবিত্র স্থানসমূহ

▼

কাবা শরীফ

মক্কার কেন্দ্রে অবস্থিত পবিত্র কাবা শরীফ হল ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থান।

মসজিদুল হারাম

কাবা শরীফকে ঘিরে নির্মিত মসজিদুল হারাম হল বিশ্বের বৃহত্তম মসজিদ।

সাফা ও মারওয়া

সাফা ও মারওয়া হল দুটি পাহাড় যার মধ্যে সাঈ (দৌড়ানো) করা হয় উমরাহ ও হজ্জের সময়।

জমজম কূপ

জমজম কূপ হল মক্কার একটি পবিত্র পানির কূপ যা হযরত ইসমাইল (আঃ) এর সময় আবিষ্কৃত হয়েছিল।

আরাফাত

আরাফাত হল মক্কার পূর্বে অবস্থিত একটি সমতল ভূমি যেখানে হজ্জের দিন (৯ জিলহজ্জ) অবস্থান করা হয়।

মিনা

মিনা হল মক্কা ও আরাফাতের মধ্যবর্তী একটি স্থান যেখানে হজ্জের সময় কয়েক দিন অবস্থান করা হয়।

মুযদালিফা

মুযদালিফা হল আরাফাত ও মিনার মধ্যবর্তী একটি স্থান যেখানে হজ্জের সময় রাত যাপন করা হয়।

5

মক্কার আধুনিক উন্নয়ন

▼

বর্তমানে মক্কা একটি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে উঠেছে। মসজিদুল হারামের সম্প্রসারণ, আব্রাজ আল-বাইত টাওয়ার, এবং বিভিন্ন আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যোগ করা হয়েছে। তবে শহরের পবিত্রতা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

হজযাত্রী/উমরাহযাত্রী সেবা (خدمات الحج والعمرة)

  • গাইড (الدليل)
  • উমরাহ (العمرة)
  • হজ্জ (الحج)

দোয়া ও সূরা (الدعاء والسور)

  • সূরা (السور)
  • উমরাহ ও হজ্জ দোয়া (دعاء العمرة والحج)
  • উমরাহ দোয়া (دعاء العمرة)
  • দৈনন্দিন মাসনূন দোয়া (الأدعية اليومية)
  • আমার দোয়া (دعائي)
  • মোনাজাত (المناجاة)

ইতিহাস ও স্থান (التاريخ والأماكن)

  • মক্কার ইতিহাস (تاريخ مكة)
  • মদিনার ইতিহাস (تاريخ المدينة)
  • মক্কা দর্শনীয় স্থান (أماكن مكة)
  • মদিনা দর্শনীয় স্থান (أماكن المدينة)

ইসলামী লাইব্রেরি (المكتبة الإسلامية)

  • Arabic Learning (تعلم العربية)
  • কুরআন (القرآن)
  • সহীহ বুখারী (صحيح البخاري)
  • মুসলিম শরীফ (صحيح مسلم)
  • নবী-রাসূলদের নামসমূহ (أسماء الأنبياء والرسل)
  • আখলাক ও আদব (الأخلاق والأدب)
  • ইবাদত (العبادات)

আইনি ও তথ্য (القانونية والمعلومات)

  • আমাদের সম্পর্কে (من نحن)
  • যোগাযোগ (اتصل بنا)
  • গোপনীয়তা নীতি (سياسة الخصوصية)
  • বিবৃতি (إخلاء المسؤولية)

© 2026 উমরাহ ও হজ্জ গাইড (دليل العمرة والحج) | বাংলাদেশী মুসলমানদের জন্য (للمسلمين البنغلاديشيين)

এই ওয়েবসাইটটি শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে (تم إنشاء هذا الموقع لأغراض تعليمية)